প্রশ্নপত্র ফাঁস

প্রশ্নপত্র ফাঁস

আওয়ামী লীগের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় থেকে সময়পোযোগী ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ২০১৮ সালের জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হয়নি, এমনকি প্রশ্নের ফাঁসের গুজবও রটেনি। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত কোন ধরণের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি। তিনি জানান, পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারের কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে। প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বাস্তবতার নিরীখে পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

মন্ত্রী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস রোধে সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষার ৩০ মিনিট পূর্বে সকল পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ সকল প্রকার ইলেকট্টনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রত্যেক বিষয়ের সকল প্রশ্নপত্র সিকিউরিটি টেপযুক্ত একটি বড় খামে প্যাকেজজাত করা হয়েছে। তিনি জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্রের সকল সেট নিয়ে যাওয়া এবং পরীক্ষার ২৫ মিনিট পূর্বে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্নের সেট ঘোষণা ও সে অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ অফিসারের যৌথ স্বাক্ষরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা এবং সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সরকারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং পরিচালনাকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনুরোধ করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি জানান, পরীক্ষার সময় সকল কোচিং সেন্টার এক মাস বন্ধ রাখার নির্র্দেশ দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রকে সনাক্ত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য বিটিআরসি কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণ হয়।

Facebook Comments

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

© All rights reserved © 2019 ReviewsBangla.Com
Wishlist 0
Open wishlist page Continue shopping